বিভিন্ন খেলার বিশ্বকাপগুলিতে অন্তত ২৪টি করে দেশ খেলে। ক্রিকেট সেখানে অনেকটাই পিছিয়ে। আইসিসি চাইছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অ্যাসোসিয়েট সদস্য দেশগুলির অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বেড়ে ২৪ হতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) পরিকল্পনা এমনই। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাফল্যে উৎসাহিত জয় শাহেরা, আরও বেশি দেশকে খেলার সুযোগ দিতে চান।
২০৩২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়াতে চান জয়রা। ২৪টি দলকে নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনের কথা ভাবছেন তাঁরা। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমনই বলা হয়েছে। অ্যাসোসিয়েট সদস্য দেশগুলির অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর কথা ভাবা হয়েছে ক্রিকেটের প্রসারের লক্ষ্যে।
আইসিসি সূত্রে খবর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৩২ করা হবে। প্রতিযোগিতার মান বজায় রাখার জন্য দলের সংখ্যা একসঙ্গে বেশি বাড়াতে চাইছেন না তাঁরা। গত দু’টি বিশ্বকাপে খেলেছে ২০টি করে দেশ। ২০৩২ সালের বিশ্বকাপ হতে পারে ২৪টি দলকে নিয়ে। নেপাল, আয়ারল্যান্ড, আমেরিকার মতো অ্যাসোসিয়েট দেশগুলির পারফরম্যান্সে উৎসাহিত আইসিসি কর্তারা। তাই দলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে।
বিভিন্ন খেলার বিশ্বকাপগুলিতে অন্তত ২৪টি করে দেশ খেলে। ফিফাও ফুটবল বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়েছে। ক্রিকেট সেখানে অনেকটাই পিছিয়ে। আগামী দু’টি অলিম্পিক্সে হবে ক্রিকেট। এশিয়ান গেমসেও ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন নতুন দেশ ক্রিকেট নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আইসিসি কর্তারা মনে করছেন, বিশ্বকাপ খেলার যথেষ্ট সুযোগ না থাকলে এই আগ্রহ ধরে রাখা কঠিন। তবে ২০২৮ এবং ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রায় নেই। আগামী দু’টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০টি করে দল নিয়েই অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, ২০২২ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হয়েছে ১৬টি দেশকে নিয়ে।
এক দিনের বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফরম্যাট পরিবর্তনের প্রস্তাব কিছু দিন আগেই গৃহীত হয়েছে আইসিসির বোর্ডের সভায়। এ বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে অ্যাসোসিয়েট সদস্য দেশগুলিকে উৎসাহিত করতে চান তাঁরা।
Leave a Reply
Your email address will not be published. Required fields are marked *